
ছবিঃ সংগৃহীত
৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের রিপোর্টে মাদকের কোনো অস্তিত্ব বা আলামত পাওয়া যায়নি। আজ সোমবার ২০২৬ বিকেলে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া দাসপাড়া এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাসকে (২৩) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার সময় জানিয়েছিলেন যে, হত্যার আগে তারা আট থেকে নয়টি ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
৩০ আগস্ট রোববার নিরাপত্তাজনিত কারণে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর থেকেই আসামিদের মূত্রের (ইউরিন) নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পাঠানো হয়। আজ প্রাপ্ত রিপোর্টে তাঁদের শরীরে কোনো ধরনের 'এমফিটামিন' বা মাদকের উপস্থিতি মেলেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রায় আট দিন পর আসামিদের মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সাধারণত মাদক সেবনের ৩ থেকে ৫ বা সর্বোচ্চ ৭ দিন পর মূত্র পরীক্ষায় মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। দ্রুত পরীক্ষা না করার কারণেই রিপোর্টে মাদকের অস্তিত্ব আসেনি বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডোপ টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ এলেও মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম বর্তমানে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দ্বারা অব্যাহত রয়েছে।