
নাটোরে সাত বছরের এক শিশুর ডান হাতের তর্জনী আঙুল কেটে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেন ও তার স্ত্রী নাছিরনকে (নাহরিন) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্ত শাকিল হোসেন নাটোর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের হিসাব শাখায় কর্মরত ছিলেন। তিনি ভুক্তভোগী শিশু বায়েজিদ বিন মাহমুদের বাবার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে বাড়ির ভাড়াটিয়া ও মালিকের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি পিকনিকের আয়োজন করা হয়। সেখানে খেলাধুলার সময় পুলিশ সদস্য শাকিলের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে বাড়ির মালিকের ছেলে বায়েজিদের হাতাহাতি হয়। পরে দুই শিশুর মায়েরা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকালে শাকিল ও তার স্ত্রী জোর করে বায়েজিদকে তাদের ঘরে নিয়ে যান। শিশুটির ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে নাছিরন তার ডান হাত ধরে রাখেন। এ সময় শাকিল ধারালো বঁটি দিয়ে কোপ দিলে বায়েজিদের ডান হাতের শাহাদাত বা তর্জনী আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ঘটনার পর বায়েজিদের বাবা মাহমুদুল হাসান মিলন বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত শাকিল ও নাছিরনকে তাদের ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে।
আজ শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গুরুতর আহত শিশু বায়েজিদ বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।