News update
  • গুলশানে গাড়ি চাপায় পথচারীর মৃত্যু, ৯ লাখ টাকায় আসামিদের সঙ্গে আপোস     |     
  • টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব নি‌শ্চি‌তে জোর বাংলা‌দে‌শের     |     
  • জাতিসংঘে আজ প্রথমবার ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান     |     
  • অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড     |     
  • যুক্তরাষ্ট্রকে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইরানের     |     
আন্তর্জাতিক 2026-09-24, 11:57am

যুক্তরাষ্ট্রকে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইরানের

iran-usa-660825426fc4f606ecf06a07fdfd525b1790229457.jpg


যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সংঘাত নিরসনে একটি কর্মপরিকল্পনা বা ‘রোডম্যাপ’ উপস্থাপন করেছে ইরান। এতে পুরো অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি, ধাপে ধাপে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধের অবসানে বিস্তৃত আলোচনার সময়সূচি নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে বলে জানিয়েছে আঞ্চলিক সূত্র।

গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রস্তাবে আরব প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর আগে তেহরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

নিউইয়র্কে অবস্থানরত ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, কূটনৈতিকভাবে সংকট সমাধানের সুযোগ এখনো রয়েছে। তবে যেকোনো চুক্তিতে ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর মধ্যে ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টি রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি নিউইয়র্কে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কাতারের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় তেহরানের শর্ত ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো বন্ধ করেনি। তবে একই সঙ্গে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হয়নি। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চললেও সমঝোতার পথ এখনো অনিশ্চিত।

এদিকে সংঘাতের প্রভাবে আরব উপদ্বীপের আশপাশে জাহাজ চলাচল ও বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা কমানো এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাতার, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত যুদ্ধের অবসান ঘটানোর কোনো চূড়ান্ত চুক্তি ঘোষণা করা হয়নি। উপসাগরীয় দেশগুলোও সংঘাতের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব মোকাবিলা করছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে কূটনৈতিক অগ্রগতি ও সামরিক চাপ, দুই ধরনের বার্তাই পাওয়া যাচ্ছে। নিউইয়র্কে আরাগচি ও উইটকফের আলোচনাকে তিনি ফলপ্রসূ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সম্ভাব্য চুক্তির দিকে অগ্রগতির কথা বলেছেন।

তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও তুলে ধরেছেন। ফলে আগামী দিনগুলোতে আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির কাঠামো তৈরি হয় কি না, নাকি সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হয়, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন।

তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ