News update
  • শুক্র ও শনিবার হজ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা রাখার নির্দেশ     |     
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও'র সাথে বৈঠক     |     
  • ইউপি নির্বাচনের জন্য ৪২ প্রতীক চূড়ান্ত     |     
  • বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপ: খাবার ও পানি মজুতের নির্দেশ     |     
  • চালকের আসনে কিশোর, আসামির তালিকায় অন্যজন     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক অর্থ ও বাণিজ্য 2026-09-10, 7:45am

জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে টোটাল এনার্জিস থেকে ১৮ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

lng-8b8a2268b5d3a89f348d5990b846c29b1789004729.jpg


জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে ১৮ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এসব এলএনজি কেনা হবে।


বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ ক্রয় প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রস্তাবটি কমিটির কাছে উপস্থাপন করে।


অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত প্রতি মাসে দুটি করে মোট ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে বাংলাদেশ। চুক্তিতে উভয় পক্ষের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো কেনার সুযোগ রাখার বিধানও থাকবে।


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে সৃষ্ট অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এলএনজি আমদানির এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


সভায় টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে সরাসরি এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের জাপান কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) মূল্যের সঙ্গে প্রতি ইউনিটে দশমিক শূন্য ছয় মার্কিন ডলার যোগ করে এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হবে।


পাঁচ প্যাকেজে জ্বালানি তেল কেনার প্রস্তাব


এদিকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে পাঁচটি প্যাকেজে ডিজেল, জেট এ-১ ও ফার্নেস অয়েল কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব প্যাকেজে মোট সম্ভাব্য ক্রয়মূল্য প্রায় ১১ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা।


তবে পাঁচটি প্যাকেজের কোনোটির ক্ষেত্রেই বুধবারের সভায় চূড়ান্ত ক্রয় অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সুপারিশ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রস্তাবিত অতিরিক্ত মূল্য ও ভিত্তিমূল্য নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত দর নির্ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আলোচনা শেষে পাওয়া দর পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। এরপর জ্বালানি তেল কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।