News update
  • শুক্র ও শনিবার হজ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা রাখার নির্দেশ     |     
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও'র সাথে বৈঠক     |     
  • ইউপি নির্বাচনের জন্য ৪২ প্রতীক চূড়ান্ত     |     
  • বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপ: খাবার ও পানি মজুতের নির্দেশ     |     
  • চালকের আসনে কিশোর, আসামির তালিকায় অন্যজন     |     
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি খবর 2026-09-10, 7:00am

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাতের আঁধারে টর্চলাইটের আলোতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

b-baria-2d77c0857aba15600f45179b58fd6f971789002049.jpg


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সদরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে মালিগাঁও ও সাগরদীঘিপার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতের আঁধারে টর্চলাইটের আলোতেও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সরাইল সদরের মালিগাঁও ও সাগরদীঘিপার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা দেখা দিলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


সংঘর্ষের খবর পেয়ে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি), সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।


এ সময় সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার মাস্টার ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে বিএনপির একটি অংশ ঘটনাস্থলে যায়। তারা মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের লোকজনকে সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।


জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওবায়দুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।