News update
  • শুক্র ও শনিবার হজ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা রাখার নির্দেশ     |     
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও'র সাথে বৈঠক     |     
  • ইউপি নির্বাচনের জন্য ৪২ প্রতীক চূড়ান্ত     |     
  • বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপ: খাবার ও পানি মজুতের নির্দেশ     |     
  • চালকের আসনে কিশোর, আসামির তালিকায় অন্যজন     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক জাতীয় 2026-09-15, 11:45am

নভেম্বরে ইউপি ভোট দিয়ে শুরু স্থানীয় নির্বাচন, সাত ধাপে ৪৫৮০ ইউনিয়ন

ইসির রোডম্যাপ ঘোষণা, দলীয় প্রতীক নয় ব্যক্তি প্রতীকে ভোট

ec-2f53e6f3f2acb041a4e0737e58c453211789451153.jpg


দেশের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সাত ধাপে আয়োজনের প্রাথমিক রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন আয়োজন করা হবে।


সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি জানান, ইউপি নির্বাচন সাত ধাপে করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে প্রতিটি ধাপের বিস্তারিত তফসিল পরবর্তী সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে কমিশন।


ইসি জানিয়েছে, প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে। চতুর্থ ধাপের ভোট হবে আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপ ২৭ মে।


সানাউল্লাহ বলেন, ‘প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে পারি আমরা। এগুলো আমরা প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’


ধাপে ধাপে ভোট


দেশের বিপুলসংখ্যক ইউনিয়ন পরিষদে একসঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের পরিবর্তে সাত ধাপে ভোট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এতে প্রশাসনিক প্রস্তুতি, নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগ, ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ তুলনামূলক সহজ হবে।


প্রতিটি ধাপের আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচনী পরিবেশ পর্যালোচনার সুযোগ থাকবে। কোনো এলাকায় মামলা বা অন্য কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে ভোট আয়োজন সম্ভব না হলে পরবর্তী সময়ে তা আয়োজনের সুযোগও থাকবে।


দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন না হওয়ায় এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন নতুন পর্বে প্রবেশ করবে এই রোডম্যাপ বাস্তবায়িত হলে।


রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা


স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, তৃতীয় ধাপের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।


নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ও ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী বলেন, নির্দলীয় নির্বাচন মানেই অরাজনৈতিক নির্বাচন নয়। নির্বাচন একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং তা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।


তার মতে, স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া অনেক প্রার্থী কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী বা সমর্থক। ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা ছাড়া নির্বাচন কমিশনের পক্ষে নির্বাচন আয়োজন কঠিন। কমিশনের সংলাপের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত—রাজনৈতিক দলগুলো যেন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা প্রভাব বিস্তার না করে এবং কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে।


দলীয় প্রতীক থাকছে না


স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে এবার বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না। প্রার্থীরা ব্যক্তি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।


দীর্ঘদিন দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন হওয়ার পর এবার দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী বা সমর্থকদের ব্যক্তিগতভাবে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকবে কি না, তা নির্ধারণ হবে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী।


বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ব্যক্তি প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ করে এ বিষয়ে আলাদা কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।


কমিশনের বক্তব্য, নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধি এবং প্রার্থীর বৈধতার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। ফলে নির্দলীয় কাঠামোকে কোনো নির্দিষ্ট দলের অংশগ্রহণের অনুমতি বা নিষেধাজ্ঞা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।


প্রচারে কঠোর বিধিনিষেধ


নতুন আচরণবিধিতে নির্বাচনী প্রচারে বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে। প্রার্থীদের পক্ষে ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল বা নৌযান নিয়ে শোডাউন করা যাবে না। হেলিকপ্টার ব্যবহার ও মশাল মিছিলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


নির্বাচনী প্রচারে পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। তবে ব্যানার, লিফলেট, ফেস্টুন ও সীমিতসংখ্যক বিলবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।


ব্যানারের সর্বোচ্চ আকার ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল এ-৪ আকারের এবং ফেস্টুনের সর্বোচ্চ আকার ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিলবোর্ডের প্রচার অংশের সর্বোচ্চ আকার ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট।


ইউনিয়ন পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে বিলবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতি ইউনিয়ন বা পৌর ওয়ার্ডে একটি করে এবং পুরো নির্বাচনী এলাকায় সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।


দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রচার


নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী মাইক বা শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার করে প্রচার চালানো যাবে দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি মাইক ব্যবহার করা যাবে এবং শব্দের মাত্রা নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখতে হবে।


একই সময়ের মধ্যে ভ্রাম্যমাণ বাহন বা ক্যারাভান ব্যবহার করেও প্রচার চালানো যাবে। তবে জেলা পরিষদ নির্বাচনে মাইক ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়নি।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের সুযোগ থাকলেও এ জন্য ব্যয় করা অর্থ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে দেখাতে হবে। প্রচার শুরুর আগে প্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মের তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নিবন্ধনের বিধান রাখা হয়েছে।


এআই দিয়ে অপপ্রচার নিষিদ্ধ


নির্বাচনী প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য, বিকৃত ছবি কিংবা বিভ্রান্তিকর বিষয়বস্তু তৈরি ও প্রচারের ওপরও বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে।


ভোটারদের বিভ্রান্ত করা, অপপ্রচার চালানো কিংবা ঘৃণা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে প্রযুক্তির অপব্যবহার করলে তা আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।


এ ছাড়া ভোটারদের ব্যক্তিগত জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর বা মোবাইল নম্বর সংগ্রহের ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ভোটারকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে নিজের বা পরিবারের সদস্যদের এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করা যাবে না। মোবাইল আর্থিক সেবায় লেনদেনের উদ্দেশ্যেও ভোটারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা


নতুন বিধিমালায় প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয়েও বিধান রাখা হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপি এবং খেলাপি ঋণের জামিনদারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে।


আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। লিখিত আদেশের মাধ্যমে প্রার্থিতা বাতিল করা যেতে পারে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।


গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা


স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণের ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা ও সংসদ সদস্যসহ নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিরা কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না।


এ ছাড়া স্থানীয় সরকারের দায়িত্বে থাকা চেয়ারম্যান, মেয়র, প্রশাসক বা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রচারে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকবে।


সাংবাদিকদের জন্য অনলাইন কার্ড


ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহকারী সাংবাদিকদের জন্য অনলাইনে কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।


কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সাংবাদিকদের নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য কার্ড সংগ্রহের প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা হবে। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচনী এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্বাচনী পরিবেশ ও আচরণবিধি পালনের বিষয়েও নজরদারি থাকবে।


২৬ মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে বৈঠক


স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে আগামী বৃহস্পতিবার ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন।


ইসি সূত্রে জানা গেছে, ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ২টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে সভায় নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত থাকবেন।


সভায় জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন, তথ্য ও সম্প্রচার, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, নৌপরিবহন, পররাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।


এ ছাড়া পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার-ভিডিপি, গোয়েন্দা সংস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ও ডাক বিভাগের প্রতিনিধিদেরও সভায় থাকার কথা রয়েছে।


ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, বিপুলসংখ্যক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন আয়োজনের আগে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, অর্থ ও যোগাযোগসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রস্তুতি সমন্বয় করাই এ বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।


বড় পরীক্ষা স্থানীয় সরকার নির্বাচন


দীর্ঘদিন প্রশাসকের অধীনে থাকা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন এবার নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় পরীক্ষা বলে মনে করেন জেসমিন টুলী।


তার মতে, স্থানীয় পর্যায়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন সব সময়ই চ্যালেঞ্জের। নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা মেনে চলা, প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণবিধি মানানো এবং প্রশাসনকে নিরপেক্ষ রাখার বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে হবে।


একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে কমিশনকে।


সব মিলিয়ে দলীয় প্রতীক বাদ দিয়ে ব্যক্তি প্রতীকে ভোট, প্রচারে কঠোর বিধিনিষেধ, এআইভিত্তিক অপপ্রচার বন্ধ এবং সাত ধাপে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। এখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে ১২ নভেম্বরের প্রথম ধাপের ভোট কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।