
ছবি: সংগৃহীত
র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন' (এসআরবি) নামে নতুন বিশেষায়িত ইউনিটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই সংক্রান্ত আইনের প্রজ্ঞাপন গেজেট আকারে প্রকাশের পরদিনই, আজ বুধবার থেকে নতুন নামে মাঠে নেমেছে বাহিনীটি।
এসআরবি-এর প্রধান আহসান হাবীব পলাশ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, র্যাবের নাম পরিবর্তন করে বুধবার থেকেই এসআরবি হিসেবে সব কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
বাহিনীর লোগোর মূল নকশা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, তবে 'র্যাব' শব্দের স্থলে এখন থেকে 'এসআরবি বাংলাদেশ' লেখা লোগো ব্যবহার করা হচ্ছে। বিভিন্ন ইউনিটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও আমন্ত্রণে ইতিমধ্যে এই নতুন লোগো ব্যবহার শুরু হয়েছে।
নতুন আইন অনুযায়ী, র্যাবের বিদ্যমান সমস্ত জনবল, ক্ষমতা, সম্পদ, তহবিল, দায়, চুক্তি এবং রেকর্ডপত্র তাৎক্ষণিকভাবে এসআরবি-তে স্থানান্তরিত ও ন্যস্ত হয়েছে।
গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিরোধী দলের নানা আপত্তির মাঝেই জাতীয় সংসদে এই বিলটি পাস হয়। মূলত বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দীর্ঘদিনের সমালোচনা এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এই বাহিনীকে বিলুপ্ত বা পুনর্গঠনের দাবি ওঠে। বর্তমান সরকার এটিকে পুরোপুরি বিলুপ্ত না করে এর কাঠামো ও কর্মপরিধি পুনর্বিন্যাস করে পুলিশের অধীনে নতুন এই বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করেছে।