News update
  • শাহজালাল বিমানবন্দরের বলাকা লাউঞ্জে আগুন     |     
  • ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়     |     
  • ড্যাব এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান     |     
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে এনসিপির শীর্ষ নেতারা     |     
  • হরমুজ প্রণালী খুলতে ইরান-ওমান সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে     |     
বঙ্গলোক রিপোর্ট খবর 2026-07-29, 9:58pm

পুলিশের কারণে কেউ হয়রানির শিকার হবেন না: ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস

dig-26586fade345d2e3da2a1d0ca13962361785340707.jpg


চট্টগ্রাম রেঞ্জে সদ্য যোগ দেওয়া ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বলেছেন, পুলিশের ক্ষমতা কোনো নিরীহ মানুষকে হয়রানি করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশকে জনগণের আস্থার জায়গা হিসেবে কাজ করতে হবে। পুলিশের কারণে কোনো নিরীহ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক থাকবেন।


বুধবার (২৯ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরীর খুলশীতে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।


ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বলেন, ‘কথা দিচ্ছি, পুলিশের কারণে কেউ হয়রানির শিকার হবেন না। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশের যে ক্ষমতা রয়েছে, সেই ক্ষমতা জনগণকে হয়রানি করার জন্য ব্যবহার করা হবে না। কোনো নিরীহ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব।’


চট্টগ্রামে দায়িত্ব নেয়ার পর নিজের অগ্রাধিকার তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি যোগ দেওয়ার পর থেকেই জানার চেষ্টা করছি, চট্টগ্রামের মানুষের প্রত্যাশা কতটুকু এবং পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দূরত্ব বা গ্যাপ কতটুকু। মানুষের প্রত্যাশা ও পুলিশের কার্যক্রমের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, তা কমিয়ে আনতে চাই।’


তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের মানুষের কথা সরাসরি শুনতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করবেন তিনি। তাদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে পুলিশের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।


ডিআইজি বলেন, ‘আমি বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে বসব, তাদের কথা শুনব। চট্টগ্রামের মানুষের প্রত্যাশা কী, তারা পুলিশের কাছে কী ধরনের সেবা চান এবং কোথায় কোথায় সমস্যা রয়েছে—এসব বিষয় জানার চেষ্টা করব।’


চট্টগ্রাম রেঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাকে নিজের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার উল্লেখ করে আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বলেন, ‘আমার প্রথম চেষ্টা থাকবে চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখা। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।’


তিনি বলেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের আওতায় ১১টি জেলা ও ১১২টি থানা রয়েছে। বিশাল এই অঞ্চলের প্রতিটি এলাকার সমস্যা ও অপরাধের ধরন এক নয়। কোথাও এক ধরনের অপরাধ বেশি, আবার অন্য কোনো এলাকায় ভিন্ন ধরনের অপরাধের প্রবণতা রয়েছে। ফলে প্রতিটি এলাকার বাস্তবতা ও অপরাধের ধরন বিবেচনায় নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পৃথক কৌশল গ্রহণ করতে হবে।


ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১টি জেলা ও ১১২টি থানা রয়েছে। এখানে সমস্যাগুলো একেক জায়গায় একেক রকম এবং অপরাধের ধরনও ভিন্ন। তাই এলাকার বাস্তবতা বুঝে পুলিশকে কাজ করতে হবে। কোথায় কী ধরনের সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা চট্টগ্রাম রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধ, পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমানো এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় আরও জোরদারের বিষয়ে বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।


সভায় চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।