News update
  • শুক্র ও শনিবার হজ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা রাখার নির্দেশ     |     
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও'র সাথে বৈঠক     |     
  • ইউপি নির্বাচনের জন্য ৪২ প্রতীক চূড়ান্ত     |     
  • বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপ: খাবার ও পানি মজুতের নির্দেশ     |     
  • চালকের আসনে কিশোর, আসামির তালিকায় অন্যজন     |     
প্রথম পাতা 2026-09-16, 6:09pm

‘গ্যাস সংকট নিরসনে নতুন কূপ খনন ও এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে’

untitled-1-copy-bf6f0a72d5f9ee4a4a4f975ac97701711789560585.jpg

ছবি: সংগৃহীত


গ্যাস সংকট নিরসনে ২০৩০-২০৩১ সালের মধ্যে দেশজুড়ে ১৫০টি নতুন কূপ খনন এবং বিদ্যমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল-এর সাথে আরও ৩টি নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

মধ্যমেয়াদি এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হলে পরবর্তী ধাপে আরও ১৫০টি কূপ খনন করা হবে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছেন। 

দেশের অভ্যন্তরে গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে প্রথম ধাপে ২০৩০–২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি নতুন কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্যাস অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সিসমিক সার্ভে পরিচালনা করা হবে। প্রথম পর্যায়ের সফল বাস্তবায়নের পর দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৫০টি কূপ খনন করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। 

মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চলছে, যা থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ শুরু হতে পারে। মাতারবাড়ীতে একটি বৃহৎ স্থলভিত্তিক  এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন, যা ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। 

পায়রা বা মোংলা বন্দর অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সুবিধাজনক কোনো উপকূলীয় এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে আরেকটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। সম্ভব হলে ২০২৮ সালের আগেই এটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। 

সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ২৬টি অফশোর ব্লকে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে, যার আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত। স্থলভাগে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ‘বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি-২০২৬’ প্রণয়নের কাজ করছে সরকার। শুধু গ্যাস বা তেলের ওপর নির্ভর না করে দীর্ঘমেয়াদে সৌরবিদ্যুৎ বা নবায়নযোগ্য শক্তিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।