News update
  • কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী     |     
  • সৌদির সড়কে একসঙ্গে ঝরলো ৭ বাংলাদেশির প্রাণ     |     
  • হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু     |     
  • নেতাকর্মীদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে প্রধানমন্ত্রী     |     
  • গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়িয়েছে সরকার, আজ থেকেই কার্যকর     |     
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক 2026-11-07, 7:13am

ইরান সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটার দূরে সরে গেছে মার্কিন বাহিনী, দাবি আইআরজিসির

iran-military-482b7f69acd459c75c2856f66c5e087b1794013985.jpg


ইরানের সীমান্তবর্তী অবস্থান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ও নৌযানগুলো এক হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরে সরে গেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ফাদাভি। ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে মার্কিন বাহিনী এ অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইরানের রাজধানী তেহরানে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন ফাদাভি। তিনি আইআরজিসি প্রধানের উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ফাদাভি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ইরানের সীমান্ত থেকে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মার্কিন বাহিনী যখনই ওই অঞ্চলের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করেছে, তখনই ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক নিয়েও কথা বলেন আইআরজিসির এই উপদেষ্টা। তার দাবি, ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেও ওয়াশিংটন দেশটির জনগণকে নিজেদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। মার্কিন চাপের মুখেও ইরান তার অবস্থানে অটল রয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারাও বিভিন্ন সময়ে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক ব্যর্থতার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

৫০০ কিলোমিটার পিছু হটার দাবিও ইরানের

এর আগে আইআরজিসির উপপ্রধান মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি দাবি করেছিলেন, ইরানের ভয়ে মার্কিন বাহিনী পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর থেকে ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে সরে গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এই দূরত্ব আরও বাড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

ইজাদির দাবি, আঞ্চলিক দেশগুলো এখন বুঝতে পারছে, তাদের ভূখণ্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ধারাবাহিক সংঘাতের মধ্য দিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আরও প্রস্তুত ও সতর্ক হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

পারস্য উপসাগর ঘিরে উত্তেজনা

পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামরিক উপস্থিতি এবং সংঘাতের প্রভাব আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি বাজারে পড়তে পারে।

তবে মার্কিন বাহিনী সত্যিই ইরানের সীমান্ত থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরে সরে গেছে কি না, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এক হাজার কিলোমিটার দূরে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি মূলত আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দাবি। এর সত্যতা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের বক্তব্য এবং স্বাধীন সামরিক তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।