News update
  • নেতানিয়াহুকে হটিয়ে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন গাদি আইজেনকট     |     
  • মিরপুরে বাসে অগ্নিকাণ্ডের চেষ্টা, চালক-সহকারীর তৎপরতায় এড়ালো বড় দুর্ঘটনা     |     
  • পোল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে ৬ জন নিহত, আহত ১৫     |     
  • ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪     |     
  • কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী     |     
সাহিত্য ও সাময়িকী 2026-10-12, 1:30pm

কবি ও সমাজকর্মী কামিনী রায়ের জন্মদিন

kamini-49e7b79cf1de7797ef16afca607333391791790258.jpg

ছবি: সংগৃহীত


কামিনী রায় ছিলেন একজন বাঙালি কবি ও সমাজকর্মী। যিনি একসময় ‘জনৈক বঙ্গমহিলা’ ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে যখন মেয়েদের শিক্ষা ছিল বিরল ঘটনা তখন তিনিই ছিলেন প্রথম মহিলা স্নাতক ডিগ্রীধারী ব্যক্তিত্ব।

নারী শিক্ষার অগ্রদূত কবি কামিনী রায় ১৮৬৪ সালের আজকের এই দিনে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।

কামিনী রায় মাত্র আট বছর বয়স থেকে কবিতা লেখা শুরু করেন। সাহিত্যচর্চার পাশাপশি তিনি সাংস্কৃতিক ও জনহিতকর, বিশেষত নারীকল্যাণমূলক কাজেও আত্মনিয়োগ করেন। তিনি নারীশ্রমিক তদন্ত কমিশনের অন্যতম সদস্য, বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে সাহিত্য শাখার সভানেত্রী এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ-এর সহসভাপতি ছিলেন।

 

কামিনী রায় কবি ও সমাজকর্মী। ১৮৬৪ খ্রিষ্টাব্দের ১২ অক্টোবর বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে তার জন্ম। তার বাবা চন্ডীচরণ সেন ছিলেন একজন ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখক ও পেশায় বিচারক। কামিনী রায় ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী, ভাবুক ও কল্পনাপ্রবণ।

 

তিনি কলকাতার বেথুন ফিমেল স্কুল থেকে এন্ট্রান্স (১৮৮০), বেথুন কলেজ থেকে এফএ (১৮৮৩) এবং সংস্কৃতে অনার্সসহ বিএ (১৮৮৬) পাস করেন। একই বছর তিনি বেথুনে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরে অধ্যাপক হন। ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে স্ট্যাটিউটরি সিভিলিয়ান কেদারনাথ রায়ের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

 

কামিনী রায় মাত্র আট বছর বয়স থেকে কবিতা লেখা শুরু করেন। সাহিত্যচর্চার পাশাপশি তিনি সাংস্কৃতিক ও জনহিতকর, বিশেষত নারীকল্যাণমূলক কাজেও আত্মনিয়োগ করেন। তিনি নারীশ্রমিক তদন্ত কমিশনের অন্যতম সদস্য, বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে সাহিত্য শাখার সভানেত্রী এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর সহসভাপতি ছিলেন।

 

তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া প্রকাশিত হয় ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে, হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা লিখে দেন। তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো: নির্মাল্য, পৌরাণিকী, গুঞ্জন (শিশুকাব্য), ধর্ম্মপুত্র (অনুবাদ), মাল্য ও নির্মাল্য, অশোকসংগীত (সনেট), অম্বা (নাটক), বালিকা শিক্ষার আদর্শ, ঠাকুরমার চিঠি, দীপ ও ধূপ, জীবনপথে (সনেট)।

 

১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে কামিনী রায়ের স্বামিবিয়োগ ঘটে। স্বামীর এ অকাল মৃত্যু তার ব্যক্তিজীবনের মতো সাহিত্যিক জীবনকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তবে তার কবিতায় রবীন্দ্রনাথের প্রভাব সর্বাধিক।

 

তিনি যেহেতু সংস্কৃতে পণ্ডিত ছিলেন, সেহেতু সংস্কৃত সাহিত্যের বিষয় অবলম্বনে রচিত তার কবিতাগুলো অপেক্ষাকৃত উৎকৃষ্ট মানের। তার কবিতায় জীবনের সাধারণ ঘটনাবলি হৃদয়ের সুকুমার অনুভূতির মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগত্তারিণী পদক লাভ করেন। ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়।

//L//