News update
  • শুক্র ও শনিবার হজ-সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা খোলা রাখার নির্দেশ     |     
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও'র সাথে বৈঠক     |     
  • ইউপি নির্বাচনের জন্য ৪২ প্রতীক চূড়ান্ত     |     
  • বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপ: খাবার ও পানি মজুতের নির্দেশ     |     
  • চালকের আসনে কিশোর, আসামির তালিকায় অন্যজন     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক জাতীয় 2026-09-01, 9:52am

জন্ম থেকে ক্ষমতায় ফেরা: ৪৮ বছরে বিএনপির যত বাঁকবদল

bnp-9cdaaed716080cf038f191fb40196f761788234778.jpg


বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল পথ পাড়ি দিয়ে ৪৮ বছরে পা দিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি কখনো রাষ্ট্রক্ষমতায়, কখনো রাজপথে আন্দোলনে, আবার কখনো কঠিন রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে পথ চলেছে। প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যাত্রা শুরু করা দলটি পরবর্তী সময়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়। দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান করেও তারেক রহমান দলটির নেতৃত্ব ধরে রাখেন এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে আসে।


প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্তিতে আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপি ৪৯তম বছরে পদার্পণ করছে। প্রায় পাঁচ দশকের এই পথচলায় দলটির রাজনৈতিক ইতিহাসে রয়েছে উত্থান-পতন, সাফল্য-ব্যর্থতা, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং নানা বিতর্ক।


রমনা বটমূল থেকে যে যাত্রার শুরু


স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়। এই প্রেক্ষাপটে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন রাজনৈতিক মত ও পেশার মানুষকে নিয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন।


বিএনপি প্রতিষ্ঠার আগে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল-জাগদল গঠিত হয়েছিল। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মতের নেতাদের সমন্বয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়।


১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রমনা এলাকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়। জিয়াউর রহমান হন দলটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।


‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’কে রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি করে বিএনপি তার সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করে। উন্নয়ন, উৎপাদন, আত্মনির্ভরতা, জাতীয় ঐক্য ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির বিষয়গুলো সামনে রেখে ১৯ দফা কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়।


মাত্র কয়েক মাসেই ভোটের মাঠে বড় সাফল্য


প্রতিষ্ঠার পর বিএনপির প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা আসে ১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। নির্বাচনে দলটি বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করে এবং সরকার গঠন করে।


নতুন একটি রাজনৈতিক দলের এত দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন তৎকালীন রাজনীতিতে বিএনপির অবস্থানকে শক্তিশালী করে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়াউর রহমান উন্নয়ন ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডের ওপর গুরুত্ব দেন।


তবে একই সময়ে জিয়াউর রহমানের শাসন, সামরিক বাহিনীর ভূমিকা এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কও ছিল।


প্রতিষ্ঠাতাকে হারিয়ে কঠিন পরীক্ষায় বিএনপি


১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সামরিক অভ্যুত্থানচেষ্টার সময় জিয়াউর রহমান নিহত হন। প্রতিষ্ঠার মাত্র তিন বছরের মধ্যে দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতাকে হারানো বিএনপির জন্য ছিল বড় ধাক্কা।


এরপর বিচারপতি আবদুস সাত্তারের নেতৃত্বে বিএনপি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়। কিন্তু ১৯৮২ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করলে আবারও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে।


এই সময় বিএনপি বিরোধী রাজনীতিতে চলে যায় এবং ধীরে ধীরে দলটির নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন খালেদা জিয়া।


রাজপথের আন্দোলনেই খালেদা জিয়ার উত্থান


স্বামী জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তিনি বিএনপির প্রধান নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।


১৯৮০-এর দশকের শেষভাগে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হলে বিএনপি, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাজপথে সক্রিয় হয়ে ওঠে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের শেষ দিকে এরশাদ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।


এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপির সামনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়।


১৯৯১-এ রাষ্ট্রক্ষমতায় নতুন অধ্যায়


১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংসদীয় গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।


বিএনপি সরকারের সময়ে অর্থনৈতিক সংস্কার, বেসরকারি খাতের বিকাশ, শিক্ষা ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্যোগ নেওয়া হয়।


তবে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠে। সংসদ বর্জন, হরতাল ও আন্দোলন দেশের রাজনীতির নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়।


১৯৯৬: এক বছরে দুই নির্বাচন


১৯৯৬ সাল বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাসে ব্যতিক্রমী একটি বছর। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রধান বিরোধী দলগুলোর বর্জনের কারণে বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বিএনপি সরকার গঠন করলেও রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখে দ্রুত নতুন নির্বাচন আয়োজনের পরিস্থিতি তৈরি হয়।


জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে এবং বিএনপি বিরোধী দলে চলে যায়।


এই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাংলাদেশের রাজনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে ওঠে।


২০০১-এর বিজয়ে আবার সরকারে বিএনপি


২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট বড় জয় পায়। খালেদা জিয়া দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন।


২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। এ সময়ে অর্থনীতি, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়।


তবে রাজনৈতিক সংঘাত, আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরকার সমালোচনার মুখে পড়ে।


২০০৬ সালে সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে রাজনৈতিক সংকট দেখা দেয়। সেই সংকট শেষ পর্যন্ত ২০০৭ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পথ তৈরি করে।


১/১১-এর পর অন্ধকার সময়


২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তার শুরু হয়।


খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানও গ্রেপ্তার হন। তারেক রহমান পরে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যান এবং দীর্ঘ সময় সেখানেই অবস্থান করেন।


২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি বড় পরাজয়ের মুখে পড়ে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করে।


ভোটের মাঠে অংশগ্রহণ ও বর্জনের রাজনীতি


২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পর নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিরোধ তীব্র হয়।


২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি ও তাদের জোট বর্জন করে। নির্বাচনের আগে ও পরে দেশজুড়ে হরতাল, অবরোধ ও রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটে।


এর ফলে বিএনপি সংসদের বাইরে চলে যায় এবং সরকারবিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যায়।


কারাবন্দি খালেদা, নেতৃত্বে তারেক


২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়া কারাগারে যান। এরপর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমান দল পরিচালনার দায়িত্ব নেন।


লন্ডনে অবস্থান করেও তিনি ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। বিএনপির দাবি, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলটি সাংগঠনিকভাবে পুনর্গঠিত হয় এবং মাঠপর্যায়ে আন্দোলন জোরদার করে।


২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে অংশ নেয়। তবে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বড় জয় পায় এবং বিএনপি সীমিত আসন নিয়ে সংসদে যায়।


২০২৪-এর রাজনৈতিক পালাবদল


২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি বর্জন করে। দলটির প্রধান দাবি ছিল নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন।


এরপর জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দেশত্যাগ করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়।


এই পরিবর্তনের পর বিএনপি দীর্ঘ সময় পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পায়। একই সময়ে খালেদা জিয়াও কারামুক্ত হন।


খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে একটি যুগের অবসান


দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর মারা যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।


জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপিকে জাতীয় রাজনীতিতে শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করার ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তার নেতৃত্বে বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে।


তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটে। এরপর দলটির নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দু আরও স্পষ্টভাবে তারেক রহমানকে ঘিরে গড়ে ওঠে।


দীর্ঘ নির্বাসন শেষে দেশে তারেক


দীর্ঘ সময় যুক্তরাজ্যে অবস্থানের পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তার দেশে ফেরাকে বিএনপির নেতাকর্মীরা দলটির রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখেন।


দেশে ফেরার পর তিনি সরাসরি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হন। নির্বাচনী প্রস্তুতি, দলীয় কর্মসূচি ও রাজনৈতিক প্রচারে তার নেতৃত্ব সামনে আসে।


নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ফের ক্ষমতায়


২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বড় জয় পেয়ে আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে আসে।


দীর্ঘ সময় বিরোধী রাজনীতিতে থাকার পর এই বিজয় দলটির জন্য ছিল বড় রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন। নির্বাচনের পর তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।


ফলে প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের পর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে রাজনৈতিক ধারা তৈরি হয়েছিল, তার পরবর্তী প্রজন্মের নেতৃত্বে বিএনপি আবার সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পায়।


সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা


ক্ষমতায় ফিরে বিএনপির সামনে এখন নানা চ্যালেঞ্জ। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, অর্থনীতি শক্তিশালী করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা—এসব বিষয় সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, রাজনৈতিক সহনশীলতা বজায় রাখা এবং বিরোধী মতের অধিকার নিশ্চিত করাও সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা।


১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর যে দলটির যাত্রা শুরু হয়েছিল, ৪৮ বছর পর সেই বিএনপি এখন নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে। জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠা, খালেদা জিয়ার দীর্ঘ নেতৃত্ব, তারেক রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনী বিজয়—সব মিলিয়ে বিএনপির পথচলা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।


আজ ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএনপি ৪৯তম বছরে পা রাখছে। দীর্ঘ এই পথচলার অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়ে এখন দলটির সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে জনগণের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারে বিএনপি এবং নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে তাদের ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়। সেই উত্তরই নির্ধারণ করবে দলটির পরবর্তী রাজনৈতিক অধ্যায়।