News update
  • শাহজালাল বিমানবন্দরের বলাকা লাউঞ্জে আগুন     |     
  • ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়     |     
  • ড্যাব এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান     |     
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে এনসিপির শীর্ষ নেতারা     |     
  • হরমুজ প্রণালী খুলতে ইরান-ওমান সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে     |     
বঙ্গলোক রিপোর্ট খবর 2026-08-06, 3:00pm

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড

jakir-9e471a6e042fc52f47a9f5e9c8302ee81786006802.jpg


সিলেটের বহুল আলোচিত চার বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা মামলায় প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 


একইসঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে মামলায় অভিযুক্ত জাকিরের দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। 


বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু উবায়দা এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ঘটনার মাত্র এক মাস পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অভিযোগপত্রে শিশু ফাহিমাকে ধর্ষণের চেষ্টা ও হত্যার দায়ে জাকির হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়। 


এছাড়া মরদেহ গুমে সহযোগিতার অভিযোগে তার দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে আসামি করা হয়েছিল। মৃত ফাহিমা আক্তার সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। আর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেন (৩০) একই এলাকার বাসিন্দা মৃত তোতা মিয়ার ছেলে। তিনি ফাহিমার পরিবারের প্রতিবেশী ছিলেন। 


মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু ফাহিমা। নিখোঁজের দুই দিন পর ৮ মে রাতে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 


এ ঘটনায় তদন্তের পর ১১ মে রাতে প্রতিবেশী জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে এবং পরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন তিনি। 


জবানবন্দিতে জাকির জানান, সিগারেট আনার কথা বলে তিনি ফাহিমাকে দোকানে পাঠান। পরে দোকান থেকে ফিরে এলে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটির ওপর নির্যাতনের চেষ্টা করেন। এ সময় ফাহিমা অচেতন হয়ে পড়লে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন বলে স্বীকার করেন জাকির। পরে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে বাড়ির কাছের পুকুরসংলগ্ন ডোবায় ফেলে দেন। 


আদালতের এই রায়কে শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। রায় ঘোষণার সময় আদালত প্রাঙ্গণে নিহত শিশুর স্বজন ও স্থানীয় মানুষের উপস্থিতি ছিল।