News update
  • শাহজালাল বিমানবন্দরের বলাকা লাউঞ্জে আগুন     |     
  • ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়     |     
  • ড্যাব এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান     |     
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে এনসিপির শীর্ষ নেতারা     |     
  • হরমুজ প্রণালী খুলতে ইরান-ওমান সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক খবর 2026-08-07, 5:01pm

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি বিএনপি, শনিবার সিদ্ধান্ত নিতে পারে জামায়াত

২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন; একাধিক প্রার্থী না থাকলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন নাও হতে পারে

20260807_164928-15745f84f08e81fcffc4f201dc80c43f1786100474.jpg

ছবি- সংগৃহীত


নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। তবে ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দল পৃথক প্রার্থী দিলে তবেই ভোটগ্রহণ হবে। একমাত্র প্রার্থী থাকলে ভোট ছাড়াই তাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

বৃহস্পতিবার ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। ওই দিনই স্পষ্ট হবে ভোটের প্রয়োজন রয়েছে কি না। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। যদি একজন মাত্র বৈধ প্রার্থী থাকেন, তাহলে সেদিনই তাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরাই ভোট দিতে পারেন। বর্তমান জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তবে এখনো দলটি তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি।

অন্যদিকে সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং অন্যান্য বিরোধী দলও রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর সূত্র জানিয়েছে, জামায়াতসহ কোনো বিরোধী দলই এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

বিএনপির সূত্র জানায়, সম্ভাব্য প্রার্থীদের বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং দল ও সরকারের কোথায় তাদের ভূমিকা বেশি প্রয়োজন—এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এসব দিক পর্যালোচনার পর সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা আগের তুলনায় ছোট হয়েছে।

গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর থেকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

গত শনিবার বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ নিয়ে দলীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, নজরুল ইসলাম খান, আবদুল মঈন খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম আলোচনায় রয়েছে।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তাকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর পদ ছাড়তে হবে। একই সঙ্গে বিএনপিকে নতুন মহাসচিব নিয়োগ দিতে হবে। এছাড়া তিনি যে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সেটি শূন্য হওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে জামায়াতে ইসলামী এখনো রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠক শনিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণ হতে পারে।

দলীয় নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াত তিনটি বিকল্প বিবেচনা করছে—নির্বাচন বর্জন, নিজস্ব প্রার্থী দেওয়া অথবা অন্য কোনো দলের প্রার্থীকে সমর্থন করা। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি আগামী নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।