
দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ে প্রতি ভরি স্বর্ণে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ফলে আজ শনিবার (৮ আগস্ট) দেশের বাজারে নতুন নির্ধারিত দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে।
বাজুসের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়।
আজ কত দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
বাজুসের নির্ধারিত নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা।
স্বর্ণের বর্তমান দাম:
২২ ক্যারেট: ২,২৯,৬৬৪ টাকা প্রতি ভরি
২১ ক্যারেট: ২,১৯,৩৪২ টাকা প্রতি ভরি
১৮ ক্যারেট: ১,৮৮,৩৭৪ টাকা প্রতি ভরি
সনাতন পদ্ধতি: ১,৫৩,৮৪৮ টাকা প্রতি ভরি
একদিনের ব্যবধানে কমল দাম
স্বর্ণের দামে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকবার পরিবর্তন এসেছে। সর্বশেষ গত ৬ আগস্ট সকালে দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। ওই সময় প্রতি ভরি স্বর্ণে ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বাড়ানো হয়।
৬ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দামে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।
এর মাত্র একদিন পরই, ৭ আগস্ট, নতুন করে দাম কমানোর ঘোষণা দেয় বাজুস। ফলে ২২ ক্যারেটসহ সব ধরনের স্বর্ণের দাম কমে যায়।
অলঙ্কার কিনলে বাড়তি খরচ হবে
বাজুস নির্ধারিত এই দাম স্বর্ণের মূল বিক্রয়মূল্য। স্বর্ণালঙ্কার তৈরির ক্ষেত্রে ডিজাইন ও কাজের ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। ফলে গয়না কিনতে গেলে নির্ধারিত স্বর্ণের দামের পাশাপাশি প্রযোজ্য মজুরিও দিতে হবে।
বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপ্যালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
এ ছাড়া স্বর্ণের অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ বা পুরোনো স্বর্ণ বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের প্রচলিত নিয়ম কার্যকর থাকবে।
বাজুসের পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে সর্বশেষ নির্ধারিত এই দাম কার্যকর থাকবে।