
ছবি: সংগৃহীত
৬ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৯এএম
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ ব্যবহার এবং ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে ("এক সনদে দুই সাল, তবু সিইও!") তার এই জালিয়াতির চিত্রটি প্রকাশ্যে আসে।
মো. গোলাম কিবরিয়ার জমা দেওয়া একটি সনদে একই সাথে দুটি ভিন্ন সাল উল্লেখ রয়েছে, যা স্পষ্ট জালিয়াতির প্রমাণ বহন করে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ২০০০ সালে ভুয়া অভিজ্ঞতার সনদ দেখিয়ে কোম্পানিতে সহকারী সাধারণ ব্যবস্থাপক (এজিএম) হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে একটি ভুয়া এমবিএ (MBA) সনদ প্রদর্শন করে সিইও পদ হাতিয়ে নেন। এই জাল সনদের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান এবং বলেন যে আবেদনে কী লিখেছেন আর সার্টিফিকেটে কী আছে তা ধর্তব্য নয়।
তার বিরুদ্ধে নানা আর্থিক দুর্নীতি ও জালিয়াতির তদন্ত চলমান থাকা অবস্থাতেই, ২০২৬ সালের ৮ জুলাই রূপালী লাইফের পরিচালনা পর্ষদ তাকে ৫,৫০,৯০০ টাকা মাসিক বেতনে পুনরায় সিইও হিসেবে নিয়োগের অনুমোদন দেয়। এই নিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ফাইলটি ১১ জুলাই বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (IDRA) কাছে পাঠানো হয়েছে, যা নিয়ে বীমা খাতে তীব্র সমালোচনা চলছে।
আইডিআরএ (IDRA) চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন জানিয়েছেন, শীর্ষ কর্মকর্তাদের সনদ জালিয়াতির বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। সনদ যাচাইয়ে আন্তর্জাতিক ডাটাবেজ, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের CIB এর মাধ্যমে ব্যাকগ্রাউন্ড পরীক্ষা করা হবে।