News update
  • ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪     |     
  • কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী     |     
  • সৌদির সড়কে একসঙ্গে ঝরলো ৭ বাংলাদেশির প্রাণ     |     
  • হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু     |     
  • নেতাকর্মীদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে প্রধানমন্ত্রী     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক প্রথম পাতা 2026-10-14, 11:47am

ইলেকট্রনিক ত্বক: মানুষের স্পর্শ অনুভব করতে পারবে যন্ত্র

science-fb5c7f9bb4b32ce2f3bff4662f1ab27b1791956857.jpg

মানুষের ত্বকের মতো চাপ ও স্পর্শ শনাক্ত করতে পারে ইলেকট্রনিক ত্বক। কৃত্রিম অঙ্গ, রোবট ও চিকিৎসাপ্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে এই উদ্ভাবন।


মানুষের ত্বক শুধু শরীরের আবরণ নয়, এটি অনুভূতি গ্রহণের এক অসাধারণ প্রাকৃতিক ব্যবস্থা। কোনো বস্তু স্পর্শ করলে, গরম পানির কাছে গেলে কিংবা আঙুলে হালকা চাপ পড়লে ত্বকের সংবেদনশীল স্নায়ু সেই সংকেত গ্রহণ করে মস্তিষ্কে পাঠায়। এর ফলে মানুষ বুঝতে পারে কোনো বস্তু নরম না শক্ত, গরম না ঠান্ডা, কিংবা স্পর্শটি কোমল না জোরালো। বিজ্ঞানীরা এখন এমন প্রযুক্তি তৈরি করছেন, যার মাধ্যমে যন্ত্র ও রোবটও স্পর্শের মতো অনুভূতি শনাক্ত করতে পারবে। এই প্রযুক্তির নাম ইলেকট্রনিক ত্বক বা ই-স্কিন 

ইলেকট্রনিক ত্বক এমন এক ধরনের নমনীয় ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা, যা মানুষের ত্বকের কিছু সংবেদনশীল বৈশিষ্ট্য অনুকরণ করে। এতে বিশেষ সেন্সর, পরিবাহী পদার্থ এবং সংকেত প্রক্রিয়াকরণের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এসব উপাদান কোনো বস্তুর চাপ, স্পর্শ, কম্পন কিংবা তাপমাত্রার পরিবর্তন শনাক্ত করে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করতে পারে। পরে সেই সংকেত বিশ্লেষণ করে যন্ত্র বুঝতে পারে কোথায় স্পর্শ করা হয়েছে এবং কতটা চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।

প্রযুক্তিটি এখনো গবেষণা ও উন্নয়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। তবে এর সম্ভাব্য ব্যবহার ইতোমধ্যে রোবটিকস, চিকিৎসা, কৃত্রিম অঙ্গ, পরিধানযোগ্য যন্ত্র এবং মানব-যন্ত্র মিথস্ক্রিয়ার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত তৈরি করেছে।

মানুষের ত্বকের মতো কাজ করবে যন্ত্র

মানুষের ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সংবেদী স্নায়ুপ্রান্ত রয়েছে। এগুলো চাপ, কম্পন, তাপমাত্রা এবং কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিকর উদ্দীপনা শনাক্ত করতে সাহায্য করে। ইলেকট্রনিক ত্বকে এই কাজের কিছু অংশ সম্পন্ন করে বিশেষায়িত সেন্সর।

যেমন, চাপ শনাক্তকারী সেন্সর কোনো পৃষ্ঠে কতটা বল প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা পরিমাপ করতে পারে। তাপমাত্রা সেন্সর গরম বা ঠান্ডার পরিবর্তন শনাক্ত করে। অন্যদিকে, কিছু উন্নত সেন্সর স্পর্শের অবস্থান, কম্পন এবং পৃষ্ঠের সূক্ষ্ম পরিবর্তনও বুঝতে পারে। এসব সেন্সর থেকে পাওয়া তথ্য সফটওয়্যার বা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হয়।

মানুষের ত্বকের সঙ্গে ইলেকট্রনিক ত্বকের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। মানুষের স্পর্শ অনুভূতি স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের সমন্বিত কাজের ফল। কিন্তু ইলেকট্রনিক ত্বক মূলত সেন্সরের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এবং বৈদ্যুতিক সংকেতের সাহায্যে সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। ফলে কোনো যন্ত্র স্পর্শ শনাক্ত করতে পারলেও মানুষের মতো সচেতন অনুভূতি তার রয়েছে, এমন দাবি করা যায় না।

কীভাবে কাজ করে ইলেকট্রনিক ত্বক?

ইলেকট্রনিক ত্বক তৈরিতে সাধারণত নমনীয় পলিমার, পরিবাহী উপাদান, ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক সার্কিট এবং বিভিন্ন ধরনের সেন্সর ব্যবহার করা হয়। এর নকশা এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে এটি বাঁকানো যায় এবং কোনো পৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে থাকতে পারে। কিছু নকশায় পাতলা ফিল্ম, ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক উপাদান কিংবা বিশেষ পরিবাহী ন্যানোম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করা হয়।

স্পর্শ শনাক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে। ক্যাপাসিটিভ সেন্সর স্পর্শ বা চাপের ফলে বৈদ্যুতিক ধারকত্বের পরিবর্তন পরিমাপ করে। পাইজোরেজিস্টিভ সেন্সরে চাপ প্রয়োগের কারণে বৈদ্যুতিক রোধ পরিবর্তিত হয়। আবার পাইজোইলেকট্রিক উপাদান যান্ত্রিক চাপের প্রতিক্রিয়ায় বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি করতে পারে। কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, তা নির্ভর করে যন্ত্রটির উদ্দেশ্য, সংবেদনশীলতা, স্থায়িত্ব ও খরচের ওপর।

ধরা যাক, একটি রোবটের আঙুলে ইলেকট্রনিক ত্বক লাগানো হয়েছে। রোবটটি যখন একটি কাচের গ্লাস ধরবে, তখন সেন্সর বুঝতে পারবে আঙুলে কতটা চাপ পড়ছে। চাপ বেশি হলে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গ্রিপের শক্তি কমাতে নির্দেশ দিতে পারে। এতে গ্লাস ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি কমবে। আবার কোনো নরম বস্তু ধরার সময় প্রয়োজন অনুযায়ী চাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

তবে এ ধরনের কার্যকারিতা অর্জনের জন্য শুধু সেন্সর থাকলেই হবে না। সেন্সরের তথ্য দ্রুত বিশ্লেষণ, নির্ভুল নিয়ন্ত্রণ, উপযুক্ত সফটওয়্যার এবং নির্ভরযোগ্য যান্ত্রিক ব্যবস্থাও প্রয়োজন।

কৃত্রিম হাত ও চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা

ইলেকট্রনিক ত্বকের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক ব্যবহারগুলোর একটি হলো কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অনুভূতি বাড়ানো। হাত বা পা হারানো ব্যক্তিদের জন্য তৈরি কৃত্রিম অঙ্গ সাধারণত নির্দিষ্ট নড়াচড়া করতে পারে। কিন্তু স্পর্শ, চাপ কিংবা তাপমাত্রা অনুভব করার ক্ষমতা সীমিত হওয়ায় দৈনন্দিন অনেক কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

২০২৬ সালের ২০ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা কৃত্রিম অঙ্গের জন্য এমন ইলেকট্রনিক ত্বক তৈরির গবেষণার কথা জানান, যা চাপ ও তাপমাত্রা শনাক্ত করতে পারে। গবেষকদের লক্ষ্য, ভবিষ্যতে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম অঙ্গ ব্যবহারকারীদের স্পর্শসংক্রান্ত অনুভূতি উন্নত করা। 

এই ধরনের প্রযুক্তি আরও উন্নত হলে কৃত্রিম হাত দিয়ে কোনো বস্তু ধরার সময় ব্যবহারকারী চাপের মাত্রা সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া পেতে পারেন। এতে কাপ ধরা, ফল তোলা, পোশাকের বোতাম লাগানো কিংবা সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষেত্রে সুবিধা হতে পারে। তবে সেন্সরে চাপ বা তাপমাত্রা শনাক্ত হওয়া আর সেই অনুভূতি মানুষের স্নায়ুতন্ত্রে পৌঁছানো এক বিষয় নয়। প্রাকৃতিক অনুভূতির কাছাকাছি অভিজ্ঞতা দিতে সেন্সর, সংকেত প্রক্রিয়াকরণ এবং স্নায়ু বা অন্য প্রতিক্রিয়াব্যবস্থার মধ্যে কার্যকর সংযোগ প্রয়োজন।

চিকিৎসাক্ষেত্রেও ইলেকট্রনিক ত্বকের ব্যবহার নিয়ে গবেষণা চলছে। নমনীয় সেন্সরযুক্ত পরিধানযোগ্য যন্ত্র শরীরের নড়াচড়া, চাপ কিংবা নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় সংকেত পর্যবেক্ষণে সহায়তা করতে পারে। পুনর্বাসন চিকিৎসায় এসব তথ্য রোগীর অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং ব্যায়ামের কার্যকারিতা বুঝতে কাজে লাগতে পারে। 

রোবটের স্পর্শশক্তি বাড়াবে কৃত্রিম ত্বক

শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে হাসপাতাল, গুদাম ও সেবামূলক কাজে রোবটের ব্যবহার বাড়ছে। কিন্তু মানুষের মতো স্পর্শ শনাক্ত করার ক্ষমতা না থাকলে অনেক সূক্ষ্ম কাজ করা রোবটের জন্য কঠিন। ইলেকট্রনিক ত্বক রোবটকে তার আশপাশের বস্তু সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য দিতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে, কোনো রোবট যখন একটি ডিম বা কাগজের কাপ তুলবে, তখন তার আঙুলে থাকা সেন্সর চাপের পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারবে। নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সেই তথ্য কাজে লাগিয়ে ধরার শক্তি সমন্বয় করতে পারে। আবার মানুষের সঙ্গে কাজ করার সময় রোবটের শরীরে চাপ পড়লে সেন্সর তা শনাক্ত করে সতর্কতা বা নিরাপত্তামূলক প্রতিক্রিয়া চালু করতে পারে।

২০২৫ সালে প্রকাশিত Materials Today Physics সাময়িকীর একটি পর্যালোচনামূলক গবেষণায় রোবটের স্পর্শ শনাক্তকরণে নমনীয় উপাদান, বিভিন্ন ধরনের সেন্সর এবং উন্নত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে। এসব প্রযুক্তি রোবটের নির্ভুলতা ও মানুষের সঙ্গে নিরাপদ মিথস্ক্রিয়া বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ইলেকট্রনিক ত্বক

ইলেকট্রনিক ত্বকের কার্যকারিতা বাড়াতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের সম্ভাবনাও রয়েছে। সেন্সর থেকে পাওয়া বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করে এআই কোনো বস্তুর পৃষ্ঠ মসৃণ না খসখসে, বস্তুটি শক্ত না নরম কিংবা স্পর্শের ধরন কেমন, তা শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে।

২০২৪ সালে Advanced Materials সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এমন বায়োনিক আঙুলের ইলেকট্রনিক ত্বক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যা চাপ, তাপমাত্রা, কম্পন ও পৃষ্ঠের বৈশিষ্ট্যসংক্রান্ত একাধিক ধরনের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। গবেষণাটিতে মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে এসব সংকেত বিশ্লেষণ ও বস্তু শনাক্ত করার বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে। 

এ ধরনের প্রযুক্তি ভবিষ্যতে রোবটকে শুধু কোনো বস্তু স্পর্শ করার তথ্যই দেবে না, বরং স্পর্শ থেকে পাওয়া বিভিন্ন সংকেত একত্র করে বস্তুটি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতেও সাহায্য করতে পারে। তবে বাস্তব পরিবেশে নির্ভুলভাবে কাজ করার জন্য সেন্সরের নির্ভরযোগ্যতা, তথ্যের মান এবং অ্যালগরিদমের কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এখনো যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে

সম্ভাবনা অনেক হলেও ইলেকট্রনিক ত্বককে দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহারের উপযোগী করতে বেশ কিছু বাধা অতিক্রম করতে হবে। প্রথমত, ত্বকের মতো নমনীয় হওয়া সত্ত্বেও যন্ত্রটিকে দীর্ঘদিন টেকসই থাকতে হবে। বারবার বাঁকানো, টান দেওয়া কিংবা চাপ প্রয়োগের ফলে সেন্সরের কার্যকারিতা কমে গেলে নির্ভুলতা নষ্ট হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, একসঙ্গে চাপ, তাপমাত্রা, কম্পন ও অন্যান্য সংকেত শনাক্ত করার সময় সেগুলোকে আলাদা করে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা কঠিন হতে পারে। তৃতীয়ত, সেন্সরের বিদ্যুৎ সরবরাহ, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, উৎপাদন ব্যয় এবং ত্বক বা কৃত্রিম অঙ্গে নিরাপদ সংযুক্তির বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া চিকিৎসায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে রোগীর নিরাপত্তা, দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা এবং বাস্তব ব্যবহারে প্রযুক্তিটির উপযোগিতা যাচাই করা প্রয়োজন। সব ধরনের ইলেকট্রনিক ত্বক এখনই বাজারে সহজলভ্য নয়, আর গবেষণাগারে সফল কোনো প্রযুক্তি যে দ্রুত সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে যাবে, তার নিশ্চয়তাও নেই।

ভবিষ্যতের প্রযুক্তিতে স্পর্শের নতুন অধ্যায়

ইলেকট্রনিক ত্বক মানুষের স্বাভাবিক ত্বকের পূর্ণ বিকল্প নয়। তবে স্পর্শ শনাক্তকরণ, চাপ পরিমাপ, তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ এবং যন্ত্রের সঙ্গে মানুষের মিথস্ক্রিয়া উন্নত করার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হয়ে উঠতে পারে।

ভবিষ্যতে উন্নত ইলেকট্রনিক ত্বক কৃত্রিম হাতের ব্যবহার আরও স্বাভাবিক করতে, রোবটকে সূক্ষ্ম কাজ শেখাতে এবং চিকিৎসায় শরীরের বিভিন্ন সংকেত পর্যবেক্ষণে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নমনীয় ইলেকট্রনিকসের সমন্বয় যন্ত্রকে পরিবেশ সম্পর্কে আরও সমৃদ্ধ তথ্য দিতে পারে।

মানুষের ত্বক যেভাবে স্পর্শের মাধ্যমে চারপাশের পৃথিবীকে চিনতে সাহায্য করে, ইলেকট্রনিক ত্বকও যন্ত্রকে সেই পৃথিবী সম্পর্কে নতুন ধরনের তথ্য জানার সুযোগ দিচ্ছে। এই প্রযুক্তির অগ্রগতি ভবিষ্যতে রোবট ও মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর করে তুলতে পারে। তবে এর প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে গবেষণার অগ্রগতি, নিরাপত্তা, ব্যয় এবং মানুষের বাস্তব প্রয়োজন মেটানোর সক্ষমতার ওপর।