
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডব্লিউ) পার্লামেন্ট ভবন পরিদর্শন করেছেন বিভিন্ন দেশের কমিউনিটি ও ব্যবসায়ী নেতারা। এ সময় তারা দেশটির সংসদীয় ব্যবস্থা, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া ও সরকারি কার্যক্রম সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। পরে পার্লামেন্ট ভবনের স্পিকার্স ডাইনিং রুমে আয়োজিত বিশেষ নৈশভোজে অংশ নেন অতিথিরা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রোটারি ক্লাব অব ইংলবার্ন ও ইংলবার্ন বিজনেস চেম্বারের যৌথ উদ্যোগে এ বিশেষ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আতিথ্য দেন ম্যাককুয়ারি ফিল্ডসের সংসদ সদস্য ও নিউ সাউথ ওয়েলস সরকারের মন্ত্রী আনুলাক চানথিভং। প্রায় চার ঘণ্টার এ আয়োজনে তিনি নিজেই অতিথিদের পার্লামেন্ট ভবনের বিভিন্ন কক্ষ ও সংসদীয় অধিবেশন কক্ষ ঘুরিয়ে দেখান। পাশাপাশি অতিথিদের সরাসরি সংসদ অধিবেশন পর্যবেক্ষণ এবং কার্যক্রম শোনার ব্যবস্থা করেন।
মন্ত্রী আনুলাক চানথিভং শিল্প ও বাণিজ্য, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও ন্যায্য বাণিজ্য, উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, নির্মাণ এবং সংশোধনাগার-সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।
ইংলবার্ন বিজনেস চেম্বারের সভাপতি ড্রু পার্সিভালের নেতৃত্বে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিরাও ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দ্য ইউনিক সিটিজেনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, গাজীপুর অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নিয়োগ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও অধ্যক্ষ হাজি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সরকার। এ ছাড়া মো. শফিকুল আলম, কায়সার আহমেদ, কয়েকজন সংসদ সদস্যসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আয়োজনে সরকারি প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন ও বহুজাতিক কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়। অংশগ্রহণকারীরা অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় গণতন্ত্রের কার্যক্রম কাছ থেকে দেখার পাশাপাশি বিভিন্ন পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পুরো আয়োজনজুড়ে পার্লামেন্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশের সহযোগিতার প্রশংসা করেন অতিথিরা। তাঁদের আন্তরিকতা ও পেশাদারত্ব অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
আয়োজকদের মতে, এ সফর শুধু সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে জানার সুযোগই তৈরি করেনি, বরং সিডনির বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ, পেশাগত নেটওয়ার্কিং এবং পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারেও ভূমিকা রেখেছে।