News update
  • হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলতে ইরানের ছয় শর্ত     |     
  • দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করুন: ইউএনওদের প্রধানমন্ত্রী     |     
  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়বে জামায়াত, রোববার প্রার্থী ঘোষণা     |     
  • তনু হত্যা মামলা: জামিন স্থগিত, ফের গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজুর     |     
  • বিএসপির মতবিনিময় ও সংবর্ধনা সভায় ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী     |     
প্রথম পাতা 2026-07-29, 10:12am

নেতানিয়াহু-ট্রাম্প, ‘ইতিবাচক’ বৈঠকের দাবি

untitled-1-copy-bf6f0a72d5f9ee4a4a4f975ac97701711785298332.jpg

ছবি: সংগৃহীত


বঙ্গলোক ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ১০:১৩ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র অসন্তোষ ও বিরক্তি সত্ত্বেও হোয়াইট হাউজে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকটিকে অত্যন্ত 'ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ' বলে দাবি করেছে দুই পক্ষই। ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে অনুষ্ঠিত এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট এবং স্বয়ং নেতানিয়াহু আলোচনাটিকে সফল হিসেবে উল্লেখ করেন। বৈঠকের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর ওপর প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

ইরানের একটি গোপন ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা ('পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন') সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করবেন—এমন খবর আগেই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রাম্প বলেন, "এসব বিষয়ে বিবির (নেতানিয়াহু) আমাকে জ্ঞান দেওয়ার দরকার নেই। বিষয়গুলো গোপনে না বলে ও কেন বিশ্ববাসীকে ঢাকঢোল পিটিয়ে জানাচ্ছে?"

ইরান ও লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়ে দুই নেতার মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। ট্রাম্প যুদ্ধের তীব্রতা কমিয়ে কূটনৈতিক সমঝোতার দিকে হাঁটতে চাইলেও নেতানিয়াহু সামরিক চাপ বজায় রাখতে অনড়। বিরক্তি ও মতপার্থক্য পাশে ঠেলে ওভাল অফিসের বৈঠকে দুই নেতাকে বেশ হাসিমুখে অংশ নিতে দেখা যায়। এই বৈঠকের প্রধান দিকগুলো ছিল।

বৈঠক শেষে নেতানিয়াহু একে তার এযাবৎকালের 'সেরা বৈঠকগুলোর একটি' বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব সম্পূর্ণ একমত।

ইরান ইস্যু ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, লেবানন নিরাপত্তা ফ্রেমওয়ার্ক এবং আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণের বিষয়েও তাদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের দাবি, স্পর্শকাতর এই বৈঠক চলাকালীন গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার বা ইরানের ওপর আক্রমণ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের ওপর কোনো সরাসরি চাপ দেওয়া হয়নি।

দুই নেতাই নিজ নিজ দেশে রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন—নেতানিয়াহু আগামী অক্টোবরের নির্বাচনে ট্রাম্পের সমর্থন চান, আর ট্রাম্প চাইছেন আমেরিকার অভ্যন্তরীণ স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে। এতসব সমীকরণের মাঝেও বৈঠকটি উভয় পক্ষের কৌশলগত অংশীদারত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে বরফ গলাতে সাহায্য করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।