
ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গলোক ডেস্ক
৩১ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ এএম
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি ও অগ্নিকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট চলতি গ্যাস ও লোডশেডিংয়ের তীব্র সংকট আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে আংশিক এবং পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি কাটতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সেলারেট এনার্জির টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ থেকে ৫৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যাওয়ায় দেশজুড়ে লোডশেডিং এবং বাসাবাড়িতে রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।
ত্রুটি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে বিদেশি বিশেষজ্ঞরা কাজ শুরু করেছেন। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে আগামী সপ্তাহের (আগস্টের প্রথম সপ্তাহ) মাঝামাঝি সময়ে টার্মিনালটি থেকে আংশিক গ্যাস সরবরাহ শুরু হতে পারে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় লাগতে পারে। অর্থাৎ আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের আগে পুরোপুরি সংকট কাটার সম্ভাবনা কম।
গ্যাস সংকটের কারণে পিডিবি বর্তমানে তুলনামূলক ব্যয়বহুল ফার্নেস অয়েল ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে উৎপাদন বাড়িয়ে ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করছে। তবে বর্ধিত চাহিদা ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ৯৬২ মেগাবাইট বা তার বেশি ছাড়িয়ে গেছে। ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার আবাসিক গ্রাহকেরা রান্নার জন্য বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ও রাইস কুকার বা ইনডাকশন চুলার মতো বিদ্যুৎ-চালিত যন্ত্র ব্যবহার করছেন, যা বিদ্যুতের চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।