
ছবি: সংগৃহীত
বাব-এল-মান্দেব প্রণালিতে সৌদি আরবের সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী একটি জাহাজে হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) হুথি নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা সাবার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
এর আগে ইয়েমেনের কোস্ট গার্ড জানিয়েছিল, বাব-এল-মান্দেব প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
সৌদি সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী জাহাজে হামলার দাবির পর এ ঘটনায় সৌদি আরবের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সম্প্রতি পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে হওয়া সামরিক চুক্তির কারণে বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাচ্ছে।
মক্কায় স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে দেশগুলো।
এর আগে এপ্রিলে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও সহায়ক উড়োজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছিল। দুই দেশের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে এসব উড়োজাহাজ মোতায়েন করা হয়।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তখন জানিয়েছিল, কিং আবদুলআজিজ বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান মোতায়েনের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের যৌথ সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো।