
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা রেবেকা গ্রিনস্প্যান বলেছেন, জাতিসংঘ এখন অতিরিক্ত ঝুঁকি এড়িয়ে চলার প্রবণতায় ভুগছে। বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সংস্থাটির আরও সাহসী, কার্যকর ও উদ্যোগী ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন, এমন ইঙ্গিতই উঠে এসেছে তার বক্তব্যে।
জাতিসংঘের সংস্কার, আমলাতন্ত্র কমানো এবং আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন গ্রিনস্প্যান। তার মতে, শুধু ব্যয় কমিয়ে সংস্থাটিকে কার্যকর করা সম্ভব নয়; কাজের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করে অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।
গ্রিনস্প্যান কোস্টারিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের প্রধান।
তিনি মনে করেন, কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলেও জাতিসংঘের আবার চেষ্টা করা উচিত। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতসহ বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সংস্থাটির আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। তার উত্তরসূরি নির্বাচনের দৌড়ে গ্রিনস্প্যান অন্যতম প্রধান প্রার্থী। নির্বাচিত হলে তিনি জাতিসংঘের ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব হবেন। তবে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ ও সাধারণ পরিষদের অনুমোদন প্রয়োজন।
সূত্র: রয়টার্স।