News update
  • ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে মামলা     |     
  • এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ     |     
  • দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।     |     
  • এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আজ      |     
  • ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যার বৃদ্ধি: ৬৭২ জন হাসপাতালে ভর্তি এবং ২ জনের মৃত্যু     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক প্রথম পাতা 2026-08-10, 9:31am

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

untitled-1-copy-bf6f0a72d5f9ee4a4a4f975ac97701711786332755.jpg

ছবি: সংগ্রহীত


১০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২৯এএম

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর দেশে সংসদ সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর থেকে প্রতিবার একক প্রার্থী থাকায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এবার একাধিক রাজনৈতিক দল থেকে প্রার্থী দেওয়ার কারণে আগামী ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সংসদ সদস্যদের ভোটগ্রহণের মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত হতে যাচ্ছে। 

গত ২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে ২২তম রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। মনোনয়নপত্র দাখিল: ১৩ আগস্ট ২০২৬ (সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা)। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই: ১৬ আগস্ট ২০২৬। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ: ১৮ আগস্ট ২০২৬। ভোটগ্রহণের তারিখ ও সময়: ২০ আগস্ট ২০২৬ (দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা)। ভোটগ্রহণের স্থান: জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষ।

এবারের নির্বাচনে জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোট দেবেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলসমূহ: নির্বাচনে বিএনপি এবং জামায়াত সমর্থিত ১১-দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে আলাদা প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

'রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১' অনুযায়ী এই ভোট গোপন নয়, বরং প্রকাশ্য। ব্যালট পেপারের কাউন্টার ফয়েলে স্বাক্ষর করে সংসদ সদস্যরা তাদের পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। সংবিধান অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য তার দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তাঁর সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়ে যাবে। ফলে সংসদে যে দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে, সাধারণত তাদের মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।