News update
  • মিরপুরে বাসে অগ্নিকাণ্ডের চেষ্টা, চালক-সহকারীর তৎপরতায় এড়ালো বড় দুর্ঘটনা     |     
  • পোল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে ৬ জন নিহত, আহত ১৫     |     
  • ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪     |     
  • কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী     |     
  • সৌদির সড়কে একসঙ্গে ঝরলো ৭ বাংলাদেশির প্রাণ     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক প্রথম পাতা 2026-10-12, 7:22pm

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলার হুমকি, শনাক্ত সাবেক শিক্ষার্থী

about-bracu1-d97a08037ae5f118a382c0e39d98e60d1791811378.jpg

ছবি- সংগৃহীত


ঢাকায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে বোমা হামলার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

গত ৪ অক্টোবর ‘টিপিক্যাল চায়নাম্যান’ নামের একটি ইমেইল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ বিভাগ, রেজিস্ট্রার ও শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত তিনটি ঠিকানায় হুমকিবার্তা পাঠানো হয়। এতে ৬ অক্টোবর সকাল ১১টায় ক্যাম্পাসে বড় ধরনের বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করে। ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ ছায়াতদন্ত চালিয়ে জানতে পারে, হুমকিদাতা বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী। পড়াশোনা শেষ না করেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান এবং সেখান থেকে ইমেইলটি পাঠান।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হুমকিবার্তায় ব্যবহৃত ‘মুশফিক রাজিন’ নামটি ছদ্মনাম। তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজনের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দেশের ঢাকার দূতাবাসকেও জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সুপারভাইজার আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৭ অক্টোবর বাড্ডা থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেন। তবে মামলায় কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, সন্দেহভাজন একাই হুমকি দিয়েছেন, নাকি এর সঙ্গে কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। হুমকি দেওয়ার পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য কী ছিল, তা-ও তদন্ত করা হচ্ছে। উগ্রবাদ প্রতিরোধে কাজ করা একাধিক সংস্থাও বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা সুপারভাইজার আশরাফুল ইসলাম জানান, ‘মুশফিক রাজিন’ নামে তাদের কোনো শিক্ষার্থী নেই এবং এ নামে কোনো পরিচয়ও পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত জানানো হয়নি বলে জানান তিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক সুমন মিয়া বলেন, ঘটনাটি নিয়ে একাধিক সংস্থা কাজ করছে। তদন্তে কিছু তথ্য পাওয়া গেলেও চলমান অনুসন্ধানের স্বার্থে সেগুলো প্রকাশ করা সম্ভব নয়।