News update
  • কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী     |     
  • সৌদির সড়কে একসঙ্গে ঝরলো ৭ বাংলাদেশির প্রাণ     |     
  • হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু     |     
  • নেতাকর্মীদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে প্রধানমন্ত্রী     |     
  • গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়িয়েছে সরকার, আজ থেকেই কার্যকর     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক প্রথম পাতা 2026-10-15, 7:34am

কুমিল্লায় ঘুস নেওয়ার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

comilla-2e354400d7b16f6c46c8fb3a0f8f5ff21792028044.jpg

ছবি: সংগৃহীত


কুমিল্লা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুস লেনদেনের দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে সাংবাদিক ফাহিম মুনতাহিম হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার মুঠোফোন ভাঙচুর এবং সংবাদমাধ্যমের লোগো সংবলিত বুম ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে তিনি কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে। ফাহিম মুনতাহিম (২৩) দৈনিক নয়াদিগন্তের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে মাল্টিমিডিয়া বিভাগে কাজ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর ১টার দিকে এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি আবু সুফিয়ান ও ফাহিমসহ কয়েকজন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ওই কার্যালয়ে যান। সেখানে ভারপ্রাপ্ত রেকর্ড কিপার মেহরাব হোসেন (৪৮) দুই ব্যক্তি রহিম (৫৫) ও শাহ আলমের (৬০) মাধ্যমে সেবা নিতে আসা লোকজনের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ঘুস নিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় ফাহিম মুঠোফোনে সেই দৃশ্য ধারণ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ভিডিও ধারণের বিষয়টি বুঝতে পেরে মেহরাব হোসেনের নেতৃত্বে রহিম, শাহ আলমসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও পাঁচ থেকে সাতজন ফাহিমের ওপর হামলা চালান। তারা তার কাজে বাধা দেন এবং হাতাহাতির একপর্যায়ে মুঠোফোন ও নয়াদিগন্তের লোগো সংবলিত বুম কেড়ে নেন। ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় রহিম তার ডান হাতে আঘাত করেন এবং মুঠোফোনটি মাটিতে আছড়ে ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর সাংবাদিকেরা প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তরা তাদের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করা হলে কোতোয়ালী মডেল থানার টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। খবর পেয়ে কুমিল্লার অন্য সাংবাদিকেরাও সেখানে উপস্থিত হয়ে ঘটনার প্রতিবাদ জানান।

তবে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত রেকর্ড কিপার মেহরাব হোসেন। তিনি বলেন, ‘হামলা-ভাঙচুরের সঙ্গে আমরা জড়িত নই।’

ফাহিম মুনতাহিম বলেন, ‘মেহরাব হোসেনের ঘুস নেওয়ার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে আমি হামলার শিকার হয়েছি। তারা আমার মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন। সহকর্মী ও অফিস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’

কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’