News update
  • পোল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে ৬ জন নিহত, আহত ১৫     |     
  • ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪     |     
  • কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী     |     
  • সৌদির সড়কে একসঙ্গে ঝরলো ৭ বাংলাদেশির প্রাণ     |     
  • হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু     |     
লাবণ্য হক: প্রথম পাতা 2026-10-24, 7:49pm

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনে ইসি’র বড় সাফল্য: নিষ্পত্তি সাড়ে ৬৪ লাখ আবেদন

nid-654432d677a1f0046fd00246a1da44111792849747.jpg


জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ভোটার তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক অর্জন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে এবং তথ্য হালনাগাদ প্রক্রিয়া গতিশীল করতে কমিশনের নেওয়া বিশেষ উদ্যোগের ফলে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে।

ইসি’র সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে ভোটার তথ্য ও এনআইডি সংশোধনের জন্য এ পর্যন্ত মোট ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে রেকর্ডসংখ্যক ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি আবেদনই ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি করেছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি। তবে বিপুলসংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির পরও এখনও অপেক্ষমাণ রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ১০টি আবেদন। অন্যদিকে, সঠিক দালিলিক প্রমাণের অভাব ও তথ্যের অসঙ্গতি থাকার কারণে বাতিল হয়েছে ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি আবেদন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং এর অংশ হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের মূল কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ২০০৭ সালে। তৎকালীন সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশন সেনাবাহিনীর সহায়তায় এই কাজ শুরু করে এবং ২০০৮ সালে দেশব্যাপী লেমিনেটেড কার্ড বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে এটিকে আইনি ভিত্তি দিতে ২০১০ সালে আইন পাস করা হয় এবং ২০১৬ সাল থেকে চিপযুক্ত ‘স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র’ বিতরণ শুরু হয়।

বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র বহনকারী তথা নিবন্ধিত মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ হালনাগাদ অনুযায়ী, মাত্র ২ মাস ১৮ দিনে নতুন করে আরও ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন নাগরিক এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ও নিবন্ধনের এই চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, গত ২০২৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের ইটিআই ভবনে উপস্থিত হয়ে ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। ২৭শে ডিসেম্বর রাতেই তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত করা হয় এবং পরবর্তী কার্যদিবস অর্থাৎ ২৮শে ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের বিশেষ সভার অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়।

ইসি’র এনআইডি অনুবিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নাগরিকদের দ্রুত সেবা দেওয়া এবং নির্ভুল ডেটাবেজ তৈরি করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তবে ১৩ লাখের বেশি আবেদন বাতিল হওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করে যে, সাধারণ নাগরিকদের আবেদন করার সময় আরও সচেতন হতে হবে এবং সঠিক কাগজপত্র জমা দিতে হবে। বাকি অপেক্ষমাণ আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হলে দেশের নাগরিক সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।