News update
  • এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ     |     
  • জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর     |     
  • ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে মামলা     |     
  • এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ     |     
  • দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।     |     
খবর 2026-08-10, 11:13pm

যশোর বোর্ডে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান কমেছে, বেড়েছে শতভাগ ফেল

jessore-education-board-b22775856868b65b4e090aa8be162b601786382003.jpg


যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।


সোমবার প্রকাশিত ফলাফলে এ চিত্র পাওয়া গেছে। এবার যশোর বোর্ডে ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৭৫টি। অন্যদিকে এবার ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র দুটি।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম হোসেন আলী।


বোর্ডের অধীনে এবার ২ হাজার ৫৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।


শতভাগ ফেল করা ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যশোরের চারটি, সাতক্ষীরার চারটি, খুলনার দুটি এবং বাগেরহাটের একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।


প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (পরীক্ষার্থী ১ জন), চান্দুয়া সমসকাটি গার্লস হাইস্কুল (৩ জন), শার্শা উপজেলার সাড়াতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল (২ জন) এবং মুক্তিযোদ্ধা জিকেজিএস সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল (১ জন)।


সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—সদর উপজেলার সাতক্ষীরা নাইসা সেকেন্ডারি স্কুল (৭ জন), আশাশুনির গোদারা সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন), দেবহাটার বাবুরাবাদ ধাপুখালি সেকেন্ডারি স্কুল (৪ জন) এবং শ্যামনগরের সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন)।


খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাতেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন) ও খালিশপুরের আসমা সরওয়ার ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয় (৪ জন) এবং বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ডি এন একতা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (২ জন) থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।


গত বছর শতভাগ ফেল করা দুটি প্রতিষ্ঠান ছিল নড়াইলের মুলাদি তালতলা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নাহালখালি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। ওই দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছিল।


যশোর বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে ৪২২টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাস করেছিল। ২০২৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ১৯৩টি। ২০২২ সালে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫১৩টি।


অন্যদিকে ২০২৪ সালে যশোর বোর্ডে কোনো প্রতিষ্ঠানেই শতভাগ ফেল ছিল না। তবে ২০২৩ সালে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী অনুত্তীর্ণ হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—যশোরের শার্শা উপজেলার সাড়াতলা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং নড়াইলের মুলাদি তালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়।