News update
  • তনু হত্যা মামলা: জামিন স্থগিত, ফের গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজুর     |     
  • জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যের আহ্বান:বিএসপির মতবিনিময় ও সংবর্ধনা সভায় ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী     |     
  • শাহজালাল বিমানবন্দরের বলাকা লাউঞ্জে আগুন     |     
  • ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়     |     
  • ড্যাব এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক নগর-মহানগর 2026-08-08, 8:04pm

রাজধানীর ভূমিকম্পপ্রবণ ভবন শনাক্তে ধাপে ধাপে উদ্যোগ নেওয়া হবে: রাজউক

prothomalo-english_2022-12_2dd8a32b-1ee7-4eca-b9e1-7f185570c059_rajuk-1-dad7e10b2471fe585a858e01812d3c1f1786197843.jpg

ছবি- সংগৃহীত


রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্ত ও ভূমিকম্প ঝুঁকি কমাতে ধাপে ধাপে কার্যক্রম গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুরা) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, শুধু ভবনের উচ্চতা নয়, নকশাগত ত্রুটি, মাটির অবস্থা এবং নির্মাণে অনিয়মও ধসের ঝুঁকির বড় কারণ। এ ক্ষেত্রে অনুমোদিত নকশা, মাটি পরীক্ষা এবং প্রকৌশল মানদণ্ড মেনে চলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, ঢাকায় বিপুল সংখ্যক ভবন থাকায় একসঙ্গে সব ভবন মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। তাই রাজউক ধাপে ধাপে র‌্যাপিড ভিজ্যুয়াল অ্যাসেসমেন্ট, প্রাথমিক প্রকৌশল মূল্যায়ন এবং বিস্তারিত প্রকৌশল মূল্যায়ন পরিচালনা করবে।

ঝুঁকি মূল্যায়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও গবেষণা কার্যক্রম জোরদারে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ভূমিকম্প ঝুঁকি হ্রাস শুধু রাজউকের একক দায়িত্ব নয়। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ছয়তলা অনুমোদিত ভবন কোনোভাবেই অবৈধভাবে বাড়িয়ে নির্মাণ করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রকৌশলী ও স্থপতিদের নির্মাণ তদারকিতে সম্পৃক্ত থাকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। ভবন মালিকদের অনুমোদিত নকশা অনুসরণ ও অকুপেন্সি সার্টিফিকেট গ্রহণের আহ্বান জানান রাজউক চেয়ারম্যান।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান আনসারী।

বক্তারা ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্ত, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড বাস্তবায়ন, নিয়মিত মহড়া ও প্রশিক্ষণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন জানান, ঢাকার ৪১টি ফায়ার স্টেশনকে ভূমিকম্প মোকাবিলার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বিশেষ টিম প্রস্তুত রয়েছে। তিনি সমন্বিত প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দেন।

ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, ভবনের ঝুঁকি অবস্থান ও মাটির ধরনের ওপরও নির্ভর করে। দুর্বল ও জলাভূমিতে অপরিকল্পিত নির্মাণ ঝুঁকি বাড়ায় বলে তিনি সতর্ক করেন এবং আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের আহ্বান জানান।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, অনুমোদিত ভবনে অবৈধভাবে অতিরিক্ত তলা নির্মাণ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এগুলো দ্রুত শনাক্ত ও পরিদর্শন করা প্রয়োজন।

ডুরা সভাপতি শাহজাহান মোল্লা ভূমিকম্প সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানান।

ডুরা সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এতে সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশার অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।