
ছবি- সংগৃহীত
রোববার সকালে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ১৫তম অবস্থানে ছিল ঢাকা। সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) স্কোর ছিল ৯৫।
AQI সূচক অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুর মান ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এ ধরনের বায়ুমান অস্বাভাবিকভাবে সংবেদনশীল অল্পসংখ্যক মানুষের জন্য মাঝারি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এর মধ্যে অ্যাজমা, হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং বয়স্করা রয়েছেন।
বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ বায়ুমানের শহরের তালিকায় উগান্ডার কাম্পালা শীর্ষে রয়েছে, যার AQI স্কোর ১৮৫। এরপর রয়েছে মালয়েশিয়ার কুচিং ও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা—উভয় শহরের স্কোর ১৬১। বাহরাইনের মানামা ১৫৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
AQI মান অনুযায়ী, ১০১ থেকে ১৫০ পর্যন্ত স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, ১৫১ থেকে ২০০ ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এসব মাত্রায় গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
AQI প্রতিদিনের বায়ুমানের তথ্য প্রদান করে। এর মাধ্যমে বাতাস কতটা পরিষ্কার বা দূষিত এবং এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
বাংলাদেশে AQI নির্ধারণ করা হয় পাঁচটি প্রধান দূষকের ভিত্তিতে। এগুলো হলো পার্টিকুলেট ম্যাটার (PM10 ও PM2.5), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2), কার্বন মনোক্সাইড (CO), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) এবং ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বায়ুর মানের অবনতি ঘটে এবং বর্ষাকালে এর উন্নতি হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) হিসাব অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়। এসব মৃত্যুর প্রধান কারণের মধ্যে রয়েছে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD), ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ।
সূত্র: ইউএনবি