News update
  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মালয়েশিয়ার বক্তব্যে নতুন মোড়     |     
  • ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণা সংসদ ভবন থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে     |     
  • দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালু     |     
  • স্থানীয় নির্বাচনে পোস্টার নিষিদ্ধ, বিলবোর্ডে মিলল সীমিত ছাড়     |     
  • চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত      |     
আন্তর্জাতিক রির্পোট আন্তর্জাতিক 2026-08-11, 7:26am

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ১১১

colombir-34c8114c2a1130747994f480269f94071786411604.jpg

ছবি: সংগৃহীত


কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১১ জনে দাঁড়িয়েছে। ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে জোরালো অভিযান চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।


দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চোকো প্রদেশের সান জোসে দেল পালমার এলাকার কাছাকাছি। ওই অঞ্চলে জনবসতি তুলনামূলক কম। তবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কফি চাষের জন্য পরিচিত রিসারালদা প্রদেশে। বিশেষ করে দোসকেব্রাদাস এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে।


বড় শহর ক্যালিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে সেখানে নতুন করে কোনো মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেনি প্রশাসন।


কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে, চলতি শতাব্দীতে দেশটিতে আঘাত হানা ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী। সোমবার দিন শেষে আরও ২১টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। সামনে আরও ভূকম্পন হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।


ক্যালির এক নারী স্থানীয় একটি টেলিভিশনকে বলেন, ভূমিকম্পের আগে তাঁর ফোনে গুগলের সতর্কবার্তা আসে। সতর্কবার্তা পাওয়ার পর তাঁরা দ্রুত ভবন থেকে বের হয়ে নিরাপদে যেতে সক্ষম হন। তবে অনেকেই সময়মতো বের হতে পারেননি।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ছিল ভূত্বকের অনেক গভীরে। সাধারণত গভীর ভূমিকম্পে ভূপৃষ্ঠে কম্পনের তীব্রতা তুলনামূলক কম থাকে। তবে এবারের ভূমিকম্পের মাত্রা বেশি হওয়ায় নদীতীরের নরম মাটি ও ভূগর্ভস্থ প্লেটের নড়াচড়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে।


কলম্বিয়ায় প্রতি মাসেই হাজার হাজার ছোট ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর আগে ১৯৯৯ সালে দেশটির কফি অঞ্চলের আরমেনিয়া ও পেরেইরায় ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল। ওই দুর্যোগে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন।